gbaaji-র গল্প — একটি বাংলাদেশি স্বপ্নের যাত্রা
২০১৯ সালে যখন gbaaji-র যাত্রা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের অভিজ্ঞতা মোটেই ভালো ছিল না। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ইংরেজিতে, পেমেন্ট জটিল, আর সাপোর্ট কার্যত অনুপস্থিত। এই সমস্যাগুলো দেখেই একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও গেমিং বিশেষজ্ঞ মিলে gbaaji তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন — যেটা হবে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশিদের জন্য।
শুরুর দিনগুলো
প্রথম বছরে মাত্র কয়েক হাজার সদস্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া বিশ্বাস আর দ্রুত পেমেন্টের সুনাম খুব দ্রুতই gbaaji-কে একটি পরিচিত নামে পরিণত করে। ২০২০ সালে মোবাইল অ্যাপ চালু হওয়ার পর সদস্য সংখ্যা বহুগুণে বেড়ে যায়। মানুষ বুঝতে পারলেন যে এখানে সত্যিই বাংলায় কথা বলা যায়, বিকাশে টাকা পাঠানো যায় এবং জেতা টাকা সত্যিই ফেরত আসে।
প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ
gbaaji শুরু থেকেই প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে। ৯৯.৯% আপটাইম নিশ্চিত করতে বিশ্বমানের সার্ভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করা হয়েছে। CDN প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে — ঢাকা হোক বা কক্সবাজার, সিলেট হোক বা রাজশাহী — সমান দ্রুতগতিতে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যায়।
দায়িত্বশীলতার প্রতি অঙ্গীকার
gbaaji বিশ্বাস করে যে গেমিং একটি বিনোদন — এটা কখনো কারও জীবনে বোঝা হওয়া উচিত নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে সেলফ-এক্সক্লুশন, ডিপোজিট লিমিট ও গেমিং বিরতির সুবিধা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সদস্যকে উৎসাহিত করা হয় নিজের বাজেট ঠিক করে খেলতে এবং যেকোনো সমস্যায় সাহায্য নিতে।
আজ gbaaji বাংলাদেশের ১০ লাখেরও বেশি সক্রিয় সদস্যের বিশ্বাসের প্রতীক। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ক্রিকেট বেটিং, লটারি, স্লট ও লাইভ ক্যাসিনোতে অংশ নিচ্ছেন — আর gbaaji তাদের প্রতিটি মুহূর্তকে নিরাপদ ও আনন্দময় করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।